নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় পাঁচ শ্রমিক গুলিবিদ্ধসহ ২২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পুলিশের দুই এসআই রয়েছেন।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফতুল্লা থানার পঞ্চবটী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আধা ঘণ্টা অবরোধ করে শ্রমিকরা। গুলিবিদ্ধরা হলো রহিম, এনায়েত, ফারুক, হাসান ও আল-আমিন। আহত শ্রমিকদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালসহ আশপাশের ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের কনস্টেবল আজাদ ও ফতুল্লা ট্রাক শ্রমিক সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল দুজনে একই অটোরিকশায় করে পুলিশ লাইনস থেকে ফতুল্লা যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশার সিটে বসা নিয়ে কনস্টেবল আজাদের সঙ্গে শ্রমিকনেতা আমিনুলের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আজাদ আমিনুলকে থাপ্পড় মারেন। এতে আমিনুল পুলিশ সদস্য আজাদকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেন। পরে পঞ্চবটীতে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ আমিনুলকে আটকে রাখে। এ খবর পেয়ে পরিবহনশ্রমিকরা পঞ্চবটী এলাকায় এসে ভাঙচুর করে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আধা ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে ২০/৩০ রাউন্ড গুলি ছুড়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে দুই এসআইসহ ২২ জন আহত হন। গুলিবিদ্ধ হন পাঁচ শ্রমিক।
ফতুল্লা মডেল থানার এএসপি শরফুদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শ্রমিকনেতাদের নিয়ে পুলিশ বৈঠক করছে।
এমএম





