[b]ওয়াশিংটন:[/b] বিগত নির্বাচনে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেও বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডেপুটি মুখপাত্র মেরি হার্ফ জানান, যুক্তরাষ্ট্র তার চলমান কুটনৈতিক নিয়মে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখবে।
হার্ফ আরো বলেন, অবশ্যই নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এরই মধ্যে নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করে তোলা হয়েছে। নতুন সংসদের প্রায় অধিকাংশ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি বা কেবল প্রতীকী প্রতিদ্বন্দ্বী থাকায় এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছার বিশ্বাসযোগ্য প্রতিফলন হয়নি বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছে মার্কিন উদ্বেগ আরো পরিষ্কার করা হবে।
শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাজ অব্যাহত রাখবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে মেরি হার্ফ বলেন, অবশ্যই বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের বিষয়টিও পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হবে।
[b]নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বলে স্বীকৃতি দেয়া হবে না:[/b]
সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি মুখপাত্র মেরি হার্ফ আরো বলেন, সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অব্যাহত রাখা মানেই বাংলাদেশের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া নয়। ঐ নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্খার বিশ্বাসযোগ্য প্রতিফলন ঘটেনি বলে এর অগ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি বরং নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রেখেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আহ্বান অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে বলে স্বীকৃতি দেয়নি, এই নির্বাচনের মাধ্যমে এখন যে সরকার গঠিত হলো যুক্তরাষ্ট্র কি তাকে স্বীকৃতি দেবে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ রকম সিদ্ধান্তগুলো ঠিক এভাবে নেওয়া হয় না। নির্বাচিত সরকারগুলোর সঙ্গে আমরা অবশ্যই কাজ করে থাকি। কিন্তু এই নির্বাচন (বাংলাদেশের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন) বিষয়ে আমাদের হতাশার কথা আমরা ইতিমধ্যেই সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি এই নির্বাচনে বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেনি। কেননা নতুন সংসদের প্রায় সবগুলো আসনেই কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না কিংবা নামমাত্র প্রতিনিন্দ্বতা ছিলো। এই (নির্বাচন) বিষয়ে যেহেতু আমাদের উদ্বেগ রয়েছে, তাই আমরা তা স্পষ্ট করেই বলব।
স্বাভাবিক সম্পর্ক রাখলেও একতরফা নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেবে না যুক্তরাষ্ট্র
বিগত নির্বাচনে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেও বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডেপুটি মুখপাত্র মেরি হার্ফ জানান, নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখবে তার দেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ২ বাংলাদেশির জয়
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই রাজনীতিক। তারা হলেন জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর শেখ রহমান ও কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটর এমডি মাসুদুর রহমান। অন্যদিকে নিউ হ্যাম্পশায়ারের আইনসভার সদস্য বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আবুল খানের আসনের ফল এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রেকর্ড গড়লেন যেসব মুসলিম প্রার্থী
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে একাধিক ঐতিহাসিক অর্জনের সাক্ষী হয়েছে দেশটির রাজনীতি। প্রথম মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত হওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় ফিলিস্তিনি ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম প্রতিনিধির প্রবেশ—এবারের নির্বাচনে মুসলিমদের অংশগ্রহণ ও সাফল্য নতুন মাত্রা পেয়েছে। পাশাপাশি নারী, কৃষ্ণাঙ্গ, আদিবাসী ও এলজিবিটিকিউ জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বেও তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি নতুন নজির।
ভোরে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, দফায় দফায় বিস্ফোরণ
ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
হ্যালোইন উৎসবে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বন্দুক হামলা, নিহত ২৪
যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে একের পর এক বন্দুক হামলা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় অন্তত ২৪ জন নিহত এবং ৯৪ জন আহত হয়েছেন। নাইটক্লাব, দোকান, স্টেডিয়াম, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে হামলার ঘটনায় উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কে।
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টির বেশি সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কয়েক বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
















