কুষ্টিয়া শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবির ৬ সদস্য আহত হয়েছেন। ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে রাতেই হেলিকপ্টারে ঢাকার সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়েছে। কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের জুগলিয়ার পালপাড়া এলাকায় রোবরার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, অপারেশন শেষে ক্যাম্পে ফেরার পথে ভ্যানের টায়ার ফেটে ভ্যানটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
[b]ঢাকা, ২০ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // এএইচ
[/b]
কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বিজিবি সদস্য আহত
কুষ্টিয়া শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবির ৬ সদস্য আহত হয়েছেন। ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে রাতেই হেলিকপ্টারে ঢাকার সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়েছে। কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের জুগলিয়ার পালপাড়া এলাকায় রোবরার ভোররাতে
চশমার অভাবে ভুগছেন দুই কোটির বেশি মানুষ
বাংলাদেশে দুই কোটির বেশি মানুষ প্রয়োজনীয় চশমার অভাবে দৃষ্টিজনিত সমস্যায় ভুগছেন। তাদের একটি বড় অংশ চালক। দৃষ্টিশক্তির সমস্যা সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে চালকদের নিয়মিত চোখ পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চশমা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
গাজীপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যু
গাজীপুরের টঙ্গী ও শ্রীপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে টঙ্গীতে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় বাবা ও ছেলের মৃত্যু হয়। একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীপুর রেলগেট এলাকায় মুরগির খাবারবাহী গাড়ির চাপায় এক পথচারী নিহত হন।
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
১৩ বছরে সড়কে মৃত্যু ১ লাখ ২৫ হাজার
গত ১৩ বছরে ৭২ হাজার ৭৩৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ লাখ ২৫ হাজার ৪০৫ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৪৯ জন।
সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে প্রায় ৮ হাজার শিশুর
দেশে ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৯৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৭ দশমিক ১৪ শতাংশ মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী ছিল। এ ছাড়া পথচারী হিসেবে ৩৫ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী হিসেবে ২৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।















