সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন। তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে দেওয়া ওই পোস্টে সারজিস আলম স্থানীয় পর্যায়ের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সারজিস আলম বলেন, গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন দীর্ঘদিন ধরে সামান্য সম্মানীর বিনিময়ে কিংবা স্বেচ্ছাশ্রমে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্দিষ্ট সময়ে মসজিদে উপস্থিত থাকতে হওয়ায় তাদের পক্ষে অন্য কোনো পূর্ণকালীন কাজ করাও কঠিন।

তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যারা মসজিদের খেদমত করে আসছেন, তাদের কাছেই রাষ্ট্রীয় সম্মানী পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবে অনেক জায়গায় পুরোনো ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সরিয়ে নতুন করে দলীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

সারজিস অভিযোগ করেন, বিএনপির স্থানীয় নেতারা মসজিদকে দলীয়করণ ও লুটপাটের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। যেসব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনকে সম্মানীর আওতায় আনা হচ্ছে, সেসব জায়গায় বিএনপিপন্থি ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, বছরের পর বছর যারা আল্লাহ ও মসজিদের খেদমতে সময় দিয়েছেন, তাদের অপদস্থ করে সরিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

একজন ইমামের সঙ্গে নিজের কথোপকথনের উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, ওই ইমাম তাকে অনুরোধ করেছেন তারেক রহমানের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দিতে। ওই ইমামের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্মানী এখন অনেক মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের জন্য অভিশাপ ও সম্মানহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সারজিস আলম বলেন, একজন ইমামের ক্ষোভ ও হৃদয়ের রক্তক্ষরণ পুরো সমাজে প্রভাব ফেলতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার জন্য তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অন্যথায় সাধারণ মুসল্লিরা এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিরোধ করবে বলেও সতর্ক করেন এনসিপির এই নেতা।

এস