সরকারের নমনীয় অবস্থানের কারণে বিরোধী দলের নেতারা মুক্তি পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বুধবার তেজগাঁয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন,বিএনপি হরতাল-অবরোধের মতো সহিংস কর্মসূচি থেকে সরে আসায় আমরা তাদের প্রতি নমনীয় আচরণ করছি। এজন্য তাদের নেতারা জামিনে মুক্তি পেতে শুরু করেছেন। আগে তারা সহিংস কর্মসূচি প্রত্যাহার না করায় মুক্তি পাননি, তখন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
যোগাযোগমন্ত্রী বলেন,দেশের প্রধান দুই দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকায়, বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশে যেসব অঘটন ঘটে যাচ্ছে তাতে করে সব দলের মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে না।
মন্ত্রী জানান, বিরোধী দলের হরতাল অবরোধের মতো সহিংস কর্মসূচিতে যোগাযোগ ও পরিবহন খাতে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এসময় শুধু রাজনৈতিক সহিংসতায় এক বছরে ৪৭ জন গাড়িচালক অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। পাঁচ হাজারের মতো গাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে।
বিআরটিএর দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এ প্রতিষ্ঠানটি থেকে দুর্নীতি রোধ করা। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ৬০ ভাগ দুর্নীতি কমেছে। আগামী দুই বছরে তা ৮৫ ভাগ কমিয়ে আনার চেষ্টা করবো।
ওবায়দুল কাদের আশ্বাস দিয়ে বলেন,গত বছর আমরা অনেক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারিনি। মানুষের স্বস্তির জন্য আমাদেরকে কিছু অপ্রিয় কাজ করতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো টলারেন্স নেই। জিরো ট্রলারেন্সে আমাদেরকে চলতে হবে।
মন্ত্রী বলেন,দেশে যথেষ্ট আইন রয়েছে। কিন্তু আইনের যথাযথ প্রয়োগ হয় না। রাজনৈতিক কারণে সব সময় তা বাস্তবায়ন করাও সম্ভব নয়।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
[b]ঢাকা,২২ জানুয়ারি(টাইমনিউজবিডি)/এএইচ[/b]
'নমনীয়তার কারণে বিরোধী দলের নেতারা মুক্তি পাচ্ছেন'
সরকারের নমনীয় অবস্থানের কারণে বিরোধী দলের নেতারা মুক্তি পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের সম্পর্ক নেই, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সঙ্গে প্রতিশোধের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সরকার এ রায়কে স্বাগত জানায় এবং তারা সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চান।
মানবতাবিরোধী অপরাধ ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মানবতাবিরোধী অপরাধ ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মামলার রায় মঙ্গলবার
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে সশস্ত্র হামলা, প্ররোচনা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে মামলাটির রায় আগামী কাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রদান করা হবে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদেরসহ ৭ জনের রায় যে কোনো দিন
জুলাই বিপ্লবের সময় গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে মামলার রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছে ট্রাইব্যুনাল। অর্থাৎ যেকোনো দিন হতে পারে।
‘নেটটা একটু স্লো করে দাও’—ট্রাইব্যুনালে পলক-কাদেরের কল রেকর্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে আন্দোলনকারীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে ইন্টারনেট একটু স্লো করে দিতে বলেছিলেন সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
















