মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের অফিস ওয়ার্ডের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সৎ, যোগ্য ও আদর্শিক নেতৃত্ব ছাড়া জনগণের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই সবাইকে ভোগের মানসিকতা ছেড়ে, দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ ও কুরবানির আদর্শে উজ্জীবিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক শোষণ ও বৈষম্য দূর করে একটি তাকওয়া ভিত্তিক সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। আমরা যদি বাস্তবজীবনে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম করতে পারি তাহলেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব হবে। তিনি হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শোষণমুক্ত সমাজ গঠনে জামায়াতের সর্বস্তরের জনশক্তিদের আরও অগ্রগামী ভূমিকা পালনের উদাত্ত আহ্বান জানান।

নূরুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে একটি মহল সারা দেশে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি একটি পক্ষ চাঁদার টাকা ভাগাভাগি ও ভূমি দখল করতে গিয়ে নিজেরাই নিজেদের শতাধিক নেতাকর্মীকে খুন করেছে। এমনকি অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে মেয়ের বাবাকে খুন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যাদের কাছে নিজ দলের কর্মীরা নিরাপদ নয়, তাদের কাছে এ দেশের জনগণ কখনো নিরাপদ থাকতে পারবে না। নৈরাজ্য সৃষ্টি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়া যায় না। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা মানুষের জানমাল পাহারা দিয়ে মানুষের হৃদয় দখল করে নিয়েছে। মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

এইচআর