নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘যত বড় শক্তি, যত বড় ধনাঢ্য ব্যক্তি থাকুক কাউকে ভয় করি না। কারও কাছে মাথা নত নয়। নদী রক্ষার লড়াইয়ে সেনাপতি হিসেবে কাজ করতে চাই।’

রাজধানীর পূর্তভবনে বুধবার সকালে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন আয়োজিত ‘ঢাকার চারপাশে নদী রক্ষার কৌশল উদ্ভাবন ও আশু করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে উদ্বোধনী বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

যারা নদী দখল করে তারা মানুষ না, মানুষরূপী পশু মন্তব্য মন্ত্রী বলেন, নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা ভাঙতে গেলে আগে পুলিশকে ঢিল ছোঁড়া হতো। এখন কিন্তু তা হয় না। আমরা টাস্কফোর্স গঠন করে অনেক কাজ করেছি। ‘যত শক্ত সুপারিশ হোক। আপনারা নদী রক্ষায় যে পরামর্শ দেবেন, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমি নিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকার চারপাশে তিন হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ করে আমরা ১০০ একরের বেশি জমি উদ্ধার করেছি। প্রায় সাড়ে ছয় হাজার সীমানা পিলার নির্ধারণ করতে পেরেছি। একদিনে কিছু করতে পারবো না। মিডফোর্ড হাসপাতালে বর্জ্য, ফল ব্যবসায়ীদের বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে পেরেছি।’

বর্তমান সরকারের নদী রক্ষার বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ৫৩টি নদীপথ ও ১২টি বিশেষ নদীপথ খননের উদ্যাগ গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যেই আমরা ২৪টি নদীপথ ও ১২টি বিশেষ নদীপথ খননের বরাদ্দ পেয়েছি। কিন্তু ড্রেজারের অভাবে খনন কাজে বিলম্ব হচ্ছে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আতাহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন সচিব শফিক আলম, পানি সম্পদ সচিব ড. জাফর আহমেদ খান প্রমুখ।

এমকে