আজ শনিবার সকালে বিএনপির ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতারা থাকবেন।

কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমান নির্বাচন কমিশনে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

এরপর তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের খোঁজখবর নিতে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতাল পরিদর্শনে যাবেন বলে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকির পরও মাতৃভূমির টানে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। গত বৃহস্পতিবার তাঁর স্বদেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে পেয়েছেন রাজসিক সংবর্ধনা। শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরাই নয়, দল-মত, শ্রেণি-পেশা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সারা দেশের মানুষ তাঁকে মনের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসায় বরণ করে নিয়েছেন।

এত দিন বাংলাদেশের মানুষ যে একজন প্রাণপ্রিয় নেতার জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তাঁরা মনে করছেন তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে সেই শূন্যস্থান পূরণ হবে।

এনএইচ