শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংস্কার, মানবাধিকার এবং গুম-খুন বন্ধে যেসব অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সেগুলো ল্যাপস করিয়ে বাতিল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ওই সময় গুম বন্ধ এবং মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করতে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। একই সঙ্গে আরও শক্তিশালী আইন প্রণয়নের কথাও বলা হয়েছিল। জনগণের প্রত্যাশা ছিল, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধ দমন ও বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং নাগরিকদের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
আখতার হোসেনের অভিযোগ, সেই প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে সংসদে এমন আইন আনা হয়েছে, যার মাধ্যমে অপরাধ শক্তিশালী হয়েছে এবং বিচারব্যবস্থা দুর্বল হয়েছে।
বাংলাদেশে গুম চিরতরে বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো পুনর্বহালের দাবি জানান তিনি। তার ভাষ্য, কোনো বাহিনী যাতে কাউকে গুম বা হত্যা করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র সুরক্ষার পাশাপাশি দেশে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেও বিএনপি সরকার গঠনের প্রথম দিনই সেই গণরায় অস্বীকার করেছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির এই নেতা।
এমএম





