৩রা জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৩৬ বছর রাজনৈতিক জীবন পূর্ণ হলো উল্লেখ্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশী বিদেশি চক্র এই মহান জাতীয়তাবাদী নেত্রীর উত্থান সহ্য করতে পারেনি।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে যিনি আগলে রেখেছিলেন অতন্ত্র প্রহরীর মতো তাকে পর্যুদস্থ করার জন্য চক্রান্তকারীরা চক্রান্ত জাল বুনতে থাকে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যাবলয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভোটার শূণ্য নির্বাচনে বিদেশি মদদপুষ্ট অগতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী শক্তি গণতন্ত্রকে দাফন করতে বেগম জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটকে রেখে জুলুমের পর জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে।


রিজভী বলেন, বিনা চিকিৎসা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং কারাবিধিনুযায়ী নিকটজনদের সাক্ষাৎ করতে নানা ফন্দি ফিকির করে বিলম্ব করা হচ্ছে। মূলত ৭ দিন পর পর আত্মীয় স্বজনদের দেখা করার কথা। অথচ বেগম জিয়ার জন্য কারাকর্তৃপক্ষ ১৫ দিন পরপর সাক্ষাতের বিধান করে। এবারে ২০/২১ দিন অতিবাহিত হলেও দেশনেত্রীর সাথে তার আত্মীয় স্বজনদের সাক্ষাৎ করতে দেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও দেশনেত্রীর ব্যাক্তিগত চিকিৎসকবৃন্দ বিগত ৪ মাস যাবৎ বেগম জিয়ার সাথে দেখা করতে পারছেন না।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে মহা জালিয়াতি নির্বাচনের পর অবৈধ শাসকগোষ্ঠি আরও বেশি নিষ্ঠুর বেপরোয়া ও উদ্ধত্ব হয়ে উঁেঠছে। মিথ্যা জয়ের গরিমায় ধরাকে সরা জ্ঞান না করার পর্যায়ে তারা পৌঁছেছে।

তিনি আরও বলেন, দেশটা এখন জনগনের নয়, দেশ এখন আওয়ামী লীগের একক তালুকদারীতে পরিণত হয়েছে। তাই সরকার বিদ্বেষ ও উগ্রতা দিয়ে বেগম জিয়াকে জুলুম ও নাজেহাল করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে।

বেগম জিয়ার ওপর সরকারী জুলুমের বিরুদ্ধে জনগনের ক্ষোভ আঁচ করতে না পারলেও তা যেকোন মূহুর্তে প্রবল ঘূর্ণীতে টনের্ডোর আঘাত আসবে তা তারা টের পাচ্ছে না ।