বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ঢাকাস্থ সেনবাগ ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ফারুক।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা চায় আমাদের ঐক্যে ভাঙন ধরাতে। কিন্তু যারা নির্বাচন বানচাল করতে চাইছে, পতিতদের হাতকে কোনোভাবেই শক্তিশালী হতে দেওয়া যাবে না।’

দেশের মানুষ অশান্তি চায় না মন্তব্য করে ফারুক বলেন, ‘দেশের মানুষ নিজেদের ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়। গণতন্ত্রের প্রতি তাদের আস্থা আছে বলেই এখনও প্রধান উপদেষ্টার দিকে তাকিয়ে আছে। তাই কোথাও কোনো দিকে নজর না দিয়ে চোখ-কান যেভাবে রেখেছেন, ঠিক সেভাবেই আপনি এগিয়ে যান। আপনার সামনে কঠিন অগ্নিপরীক্ষার নির্বাচন। এ কঠিন নির্বাচনে সব ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের প্রতি জনগণের আস্থা আছে। তবে এ বিশ্বাস ভাঙার জন্য আপনার চারপাশে ষড়যন্ত্র চলছে। দু-চারজন বা ২০ জনকে নির্বাচনে সম্পৃক্ত না করলেও আমি মনে করি, ১৯৯১ সালের চেয়েও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা এ বিশ্বাস ধ্বংস করতে চায়।’

জয়নুল আবদিন আরও বলেন, ‘১৯৯১ সালের মতো আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে যে দলই সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে, আমরা তাদের সমর্থন করব। কিন্তু এখনো বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে-অমুক প্রতীক না দিলে নির্বাচন করব না, গণপরিষদের নির্বাচন না হলে ভোটে যাব না। অথচ রাজনৈতিক কৌশল সবাই বোঝে। ভোটে না গেলে আগে থেকেই ৩০০ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হলো কেন? তাই আসুন, ঐক্য ধরে রাখি।’

ঢাকাস্থ সেনবাগ ফোরামের সভাপতি লায়ন এবিএম ফারুকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন সেলিমের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও ফোরামের সদস্যরা।

এমএম