সোমবার(২৭নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নুরুল হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘যেসব অফিসার, আমরা তো মরছি। মার খাচ্ছি, জেলে যাচ্ছি। আমাদের আর ভয় কী? যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে।’

সরকার পতনের দাবিতে বিরোধী দলগুলোর সপ্তম দফা অবরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ এই সমাবেশ করে।

সমাবেশের আগে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা রাজধানীর পুরানা পল্টন, বিজয়নগর, নাইটিঙ্গেল মোড়, নয়াপল্টন এলাকায় মিছিল করেন।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের ভাই চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মাহমুদ এবার জাতীয় নির্বাচনে সুনামগঞ্জের একটি আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

এর সমালোচনা করে নুরুল হক বলেন, ‘এই সরকার জনগণের আস্থা রাখার মতো একটা প্রতিষ্ঠানও রাখেনি। এই সরকার সব জায়গায় দুর্বৃত্তায়ন, দলীয়করণ করেছে।’

খেলোয়াড় ও শিল্পীদের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নেওয়ারও সমালোচনা করেন নুরুল হক। তিনি বলেন, সামাজিকভাবে পরিচিত কিছু মানুষ সুবিধার জন্য আওয়ামী লীগের নগ্ন দালালি করছেন।

চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে মা-বোনদের অংশগ্রহণ খুবই প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন নুরুল হক। তিনি বলেছেন, মা-বোনদের রাস্তায় নামতে হবে।

আন্দোলন শুধু নির্বাচন কিংবা ভোটের আন্দোলন নয়। এটা দেশের অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলন।

সমাবেশে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান বলেন, ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তাঁদের ওপর নানা রকম চাপ আসছে।

নেতা-কর্মীদের জেলে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। যতই হামলা-মামলা করা হোক, তাঁরা রাজপথ ছেড়ে যাবেন না।

এই সমাবেশ ও মিছিলে অন্যদের মধ্যে গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম, ফাতেমা

তাসনিম, সরকার নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল হাসান, জিলু খান, সহ–নারীবিষয়ক সম্পাদক মীর দিলরুবা সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসএম