বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে চিঠিটি পৌঁছে দেন।

পরে সাংবাদিকদের ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সঙ্কট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধের দাবিসহ ৮ দফা দাবিতে এ লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি জানান, ৩১ অক্টোবর সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে উদ্বোধনী সমাবেশের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ লংমার্চে যাত্রা শুরু করবেন।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, লংমার্চের পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাট কাটাখালী মোড়, খুলনার শিববাড়ী মোড় (বাবরি চত্বর), খুলনার ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুজদী মোড় এবং চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব পথসভায় জাতীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন। পরে কুষ্টিয়া জেলা স্কুল মাঠে লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরো বলেন, লংমার্চের গাড়িবহর, জনসভা ও পথসভাগুলো শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। 

তিনি জানান, এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ঢাকা জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছেন এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয় চিঠিটি গ্রহণ করেছে।

এস