বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সরকার বিনা কারণে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে একটি সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক জনপ্রিয় কাউন্সিলর জনাব শামসুজ্জামান হেলালীকে গ্রেফতার করেছে। সিলেটের ভয়াবহ বন্যায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যাওয়া ও নিজ এলাকা শুলকবহর ওয়ার্ডে পানিবন্দী মানুষের পাশে দাঁড়ানোই কি তার অপরাধ? এ দিকে পুলিশ ২৪ জুন দিবাগত রাতে রংপুর মহানগরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৩০টি বাড়িতে রাতভর অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানের সময় পুলিশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালী থানার আমীর ফরহাদ হোসেন মন্ডল ও কর্মপরিষদ সদস্য বাবুল হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা মাহমুদ ও সুমনসহ ৫ জন নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট ছিলনা। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার হীন উদ্দেশ্যেই পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে। আমরা লক্ষ্য করছি, বেশ কিছুদিন যাবত পুলিশ সারা দেশেই অভিযান চালিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করছে। সরকার মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। গোটা দেশ আজ এক বৃহৎ কারাগারে পরিণত হয়েছে। আমি পুলিশের এই অন্যায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে সরকারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জুলুম-নিপীড়ন চালিয়ে সরকার বেশি দিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। জুলুম-নিপীড়নের পরিণতি কখনো শুভ হয় না।

জনাব শামসুজ্জামান হেলালী, জনাব ফরহাদ হোসেন মন্ডল ও জনাব বাবুল হোসেনসহ সারাদেশে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সকল নেতা- কর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

এমআই