এতে লক্ষাধিক মুসল্লি অংশ নিয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানের মুহতামীম মাওলানা সালাহ উদ্দিন জাহাঙ্গীর।
দুপুর ১টার দিকে কা’বা শরীফের সাবেক ইমাম শায়েখ ড. হাসান বোখারী হেলিকপ্টারযোগে এসে রঘুনাথপুর হাই স্কুল মাঠে নামেন। নামাজ আদায় শেষে তিনি আবার ঢাকায় ফিরে যান হেলিকপ্টারযোগে।
১৬ ও ১৭ জানুয়ারি ২ দিনব্যাপী ইসলামী মহাসম্মেলনে রঘুনাথপুর দারুল উলুম মহিউচ্ছুন্নাহ মাদরাসার প্রতিষ্ঠানের নায়েবে মুহতামীম মুফতি আহমাদুল্লাহ কাসেমীর সভাপতিত্বে ইসলামী মহাসম্মেলনে সৌদি আরবের মক্কার হারাম শরীফের প্রধান মুফতি শায়েখ মুহাম্মদ বিন মাতার আস-সেহলী, ভারতে দারুল উলুম দেওবন্দের হাদিস ও ফিকহ বিভাগের শিক্ষা সচিব শায়েখ আফজাল কাইমুরী, আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, মুফতি শামীম মজুমদার, মাওলানা আশেকে এলাহি, সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী, আব্দুল্লাহ আল সালেহী, মেরাজুল হক বয়ান করেন।
কলরবের প্রধান পরিচালক আবু সুফিয়ানের সঞ্চালনায় সম্মেলনে অতিথি ছিলেন ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইসমাইল হোসেন, ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজি হাবিবুল্লাহ মানিক, দাগনভূঞা থানার ওসি লুৎফর রহমান। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
জুমার নামাজের খুতবায় কাবার সাবেক ইমাম মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে দোয়া করেন।
অনুষ্ঠানের একটি আকর্ষণ ছিল ইরান থেকে আগত ক্বারীর সুললিত কণ্ঠের ক্বেরাত তেলাওয়াত। এছাড়া ইসলামী সংগীত পরিবেশন করে কলরব শিল্পীগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন।
জুমার নামাজে আগত মুসল্লি আরিফুর রহমান জানান, একসঙ্গে অনেক লোকের জুমার নামাজ আদায় আসলে সৌভাগ্যের বিষয়। তাছাড়া এ নামাজের ইমামতি করেছেন কাবা শরীফের ইমাম সাহেব এজন্যই অনেক দূর থেকে এসেছি।
মুসল্লি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি কেরোনিয়া থেকে এসেছি এখানে নামাজ আদায় করার জন্য। কাবার ইমামকে দেখেছি। নামাজ আদায় করেছি, মন প্রশান্ত হয়েছে।
আয়োজক মাওলানা সালাহ উদ্দিন জাহাঙ্গীর জানান, ১০ বারের মতো এই মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এবারের সম্মেলনে অন্তত লক্ষাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন ও একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেন।
এইচআর





