প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের আগে-পরে ১২ রাকাত সুন্নত নামাজ রয়েছে, যার গুরুত্ব অপরিসীম। শরীয়তের পরিভাষায় এই নামাজকে সুন্নতে মুয়াক্কাদা বলা হয়।
সুন্নত নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, কেয়ামতের দিন কারও ফরজ নামাজে ঘাটতি থাকলে, এ নামাজ দ্বারা আল্লাহ তায়ালা সেই ঘাটতি পূরণ করবেন।
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সবার আগে যে আমলের হিসাব নেওয়া হবে, তা হল নামাজ। নামাজ ঠিক হলে সে পরিত্রাণ ও সফলতা লাভ করবে। নইলে (নামাজ ঠিক না হলে) ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সুতরাং (হিসাবের সময়) ফরজ নামাজে কোনও কমতি দেখা গেলে আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদের বলবেন, ‘দেখ, আমার বান্দার কোনও নফল (নামাজ) আছে কি না।’ অতএব তার নফল নামাজ দ্বারা ফরজ নামাজের ঘাটতি পূরণ করা হবে। তারপর অন্য আমলের হিসাব গ্রহণ করা হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৭৭০)
ফরজের আগে ও পরের সুন্নতগুলো নিয়মিত আদায় করতেন রাসুল (সা.) কখনো কোনো বিশেষ কারণ ছাড়া সুন্নত আদায় থেকে বিরত থাকতেন না। তাই সুন্নত আদায়ে গুরুত্ব দিতে হবে প্রত্যেক মুসলমানের। তবে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে ও পরের সুন্নতে মুয়াক্কাদাগুলো জামাতে পড়া সুন্নাহর পরিপন্থী এবং মাকরূহ। এগুলো একাকী পড়াই নিয়ম।
রাসূলুল্লাহ (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরামের আমল থেকে প্রমাণিত যে, তারা ফরজ নামাজগুলো মসজিদে জামাতে পড়তেন এবং সুন্নাতগুলো একা একা (অধিকাংশ সময় ঘরে) আদায় করতেন।
এমএম
















