আল্লাহ তাআলা বলেন— হে ঈমানদারগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ছুটে যাও এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ত্যাগ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম—যদি তোমরা বুঝতে পারো। (সুরা জুমআ : ৯)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বর্ণনায় জুমার দিন আগে আগে মসজিদে গমন ও নামাজের ফজিলত উট, গরু, ভেড়া বা মুরগি কোরবানির সমপরিমাণ সওয়াবের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। (বোখারি : ৮৮১)

প্রথম জুমার নামাজ

রাসুলুল্লাহ (সা.) মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনার পথে বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় অবস্থানকালে প্রথম জুমার নামাজ আদায় করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক জুমা।

সে জামাতে মুসল্লিদের সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। অধিকাংশ সূত্রে বলা হয়েছে প্রায় একশ জন মুসল্লি অংশ নেন। তবে কিছু সূত্রে ৪০ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন বলেও উল্লেখ রয়েছে। (বোখারি, ইবনে হিশাম)

জুমা ফরজ হওয়ার আগে

হিজরতের আগে নবুয়তের ১২তম বর্ষে হজরত আসআদ বিন জুরারাহ (রা.)-এর ইমামতিতে মদিনায় একবার ২ রাকাআত নফল জুমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে হিজরতের পর জুমার নামাজ ফরজ করা হয়।

জুমার দিনের নামকরণ

হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে, ইহুদিরা শনিবার এবং খ্রিস্টানরা রবিবারকে তাদের সম্মিলিত উপাসনার দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছিল। মদিনার আনসাররা আলোচনা করে শুক্রবারকে মুসলমানদের জন্য সমবেত হওয়ার দিন হিসেবে ঠিক করেন। পরে এ দিনটির নামকরণ হয় “ইয়াওমুল জুমআ” বা জুমার দিন।

ইতিহাসের প্রথম জুমার নামাজ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইমামতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এতে মুসল্লির সংখ্যা ছিল ৪০ থেকে ১০০ জনের মধ্যে।

এনএইচ