সাম্প্রতিক ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে কোটা আন্দোলন ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান জানান ইসলামি অঙ্গনের এই দুই স্কলার।

শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। ইতোমধ্যে অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে। এরপরও আলোচনায় না বসলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বৈ কমবে না। আমরা আর কোনো আর্তনাদ শুনতে চাই না।

তিনি আরও লিখেন, এমনিতেই মেধাবী তরুণদের দেশ ছেড়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার সারি প্রতিনিয়ত দীর্ঘ হচ্ছে। মেধার মূল্যায়ন না হলে এই সংকট আরও ঘনীভূত হবে।

একই প্ল্যাটফর্মে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, কোটা নয়, গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন।

মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, পক্ষে কিংবা বিপক্ষে, আন্দোলন একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। প্রাণ হনন তো গণতান্ত্রিক অধিকার না। আর এটা সমাধানও না। শিক্ষার্থীদের এমন রক্তাক্ত দৃশ্য সহ্য করার মতন নয়। কোটা সংস্কারের ইস্যুতে তাদের সাথে আলাপ করে যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছা যেত। কিন্তু তা না করে তাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো স্পষ্ট সীমালঙ্ঘন। আর আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।

কিন্তু শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আকষ্মিক হামলা করে বসে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ। এতে আন্দোলন আরও বেগবান হয়। মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় নিহত হন ৬ জন শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (১৮জুলাই) কোটা সংস্কারের দাবিতে সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও ছাত্রলীগ–যুবলীগ নেতা–কর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের প্রাণ হারিয়েছেন অত্যন্ত ১১ জন। মৃর্ত্যের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এসএম