এই ফিচারের মাধ্যমে পাঠানো যেকোনো গোপন বা সংবেদনশীল মেসেজ সরাসরি দেখা যাবে না, বরং সেটি ব্লার বা আড়াল করা অবস্থায় থাকবে। প্রাপক নিজের সুবিধা ও ইচ্ছা অনুযায়ী মেসেজটিতে ট্যাপ করে সেটি দেখতে পাবেন।

কীভাবে কাজ করবে এই ফিচার?

হোয়াটসঅ্যাপের এই নতুন ফিচারটি বর্তমানে টেস্টিং পর্যায়ে রয়েছে। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, ফিচারটি ব্যবহার করার প্রক্রিয়াটি হবে বেশ সহজ।

প্রথমে ব্যবহারকারীকে চ্যাট বক্সে মেসেজটি টাইপ বা পেস্ট করতে হবে।

এরপর সেই টাইপ করা টেক্সটটি সিলেক্ট করে লং প্রেস (চেপে ধরে) করতে হবে।

টেক্সট সিলেক্ট করার পর পপ-আপ হওয়া থ্রি-ডট মেনুতে গিয়ে "Spoiler" অপশনটি নির্বাচন করতে হবে।

এই অপশনটি সিলেক্ট করলেই মেসেজটি ব্লার হয়ে যাবে এবং আড়াল করা অবস্থায় প্রাপকের কাছে পৌঁছাবে।

ফিচারের মূল সুবিধাগুলো কী কী?

এই ফিচারের ফলে ওটিপি (OTP), পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডিটেইলস বা যেকোনো ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদভাবে পাঠানো সম্ভব হবে। অনেক সময় অসাবধানতাবশত বা ভুল মানুষের সামনে মেসেজ ওপেন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, এই ফিচার সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেবে।

ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি গ্রুপ চ্যাটের ক্ষেত্রেও এটি দারুণ কার্যকর হবে। গ্রুপে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা কোনো মুভি-সিরিজের স্পয়লার আড়াল করে শেয়ার করা যাবে, যাতে যারা সেটি দেখতে চান না, তাদের সামনে হুট করে তথ্যটি চলে না আসে। এক কথায়, এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের চ্যাটের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ পাবেন।

কবে নাগাদ পাওয়া যাবে এই সুবিধা?

বর্তমানে এই ফিচারটি একদম প্রাথমিক টেস্টিং পর্যায়ে রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ সফলভাবে পরীক্ষা শেষ করার পর এটি প্রথমে বিটা ব্যবহারকারীদের জন্য রোলআউট করতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে সব সাধারণ ব্যবহারকারী এই সুবিধা পাবেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, টেক্সট মেসেজের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ছবি এবং ভিডিওর মতো মিডিয়া ফাইলের ক্ষেত্রেও এই ব্লার বা স্পয়লার ফিচারটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে মেটার মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটির। চ্যাটিংয়ের দুনিয়ায় ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি কন্ট্রোলকে আরও উন্নত ও স্মার্ট করতে এটি হোয়াটসঅ্যাপের একটি বড় পদক্ষেপ।

এমএম