বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিন ডিসিদের সাথে সভার পর এ কথা জানান তিনি।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জেলাপর্যায়ে অনেকগুলো অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল, আইপিটিভি আছে, ইউটিউব আছে। সেখানে যারা কাজ করে তারা আবার নিজেদের সাংবাদিক বলে পরিচয় দেন। এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভুল-গুজব-বিভ্রান্তি ছড়ায়। এটি বড় চ্যালেঞ্জ।’
জেলা প্রশাসকদের এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তারা যদি দেখেন কেউ বিভ্রান্তি, গুজব, অসত্য, ভুল ছড়িয়ে হানাহানি করছে, বা কারো বিরুদ্ধে ব্যক্তি আক্রমণ করে তা আবার অন্য এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার করছে, তবে তা ত্বরিৎ আমাদের জানাতে বলেছি।
তিনি আরও বলেন, সেই সাথে সত্য কী, তা প্রচার করতে বলেছি। গুজব সোশ্যাল মিডিয়াতে রটানো হলে সত্যটাও সোশ্যাল মিডিয়াতেই যেন বলা হয়, সে ব্যাপারে তাদের (ডিসি) বলা হয়েছে।’
আইপিটিভি বা অনলাইনে গুজবের প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তারা চাইলেই ব্যবস্থা নিতে পারে না, প্রক্রিয়া আছে। বিটিআরসিকে জানাতে হয়। মনে রাখতে হবে- গুজব ছড়ায় দ্রুত, কিন্তু ব্যবস্থা নিতে অনেক সময় লাগে।’
তথ্যমন্ত্রী দেশে নিবন্ধিত সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা জানিয়ে বলেন, সর্বসাকুল্যে আমরা ১২টি আইপিটিভি, ১৭০টি অনলাইন, দৈনিক পত্রিকার অনলাইন ১৭০টি, টেলিভিশনের কয়েকটি অনলাইনকে রেজিস্ট্রেশন দিয়েছি। বাকিদের কারো রেজিস্ট্রেশন নেই বলেও জানান তিনি।
এন





