ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ছয়টি ওয়ানডের যে কোনো দুটিতে জয় পেলে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিশ্চিত হওয়ার কথা ছিল। ভারতের বিপক্ষে ২-১ এ সিরিজ জিতে সেটি নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। কিন্তু বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বাদ দিতে নতুন পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের আয়োজন করতে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে।

চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকা ৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর ৯৩ রেটিং নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সাত নম্বরে উঠে আসে বাংলাদেশ। ৮৮ রেটিং নিয়ে অষ্টম স্থানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে এক পয়েন্ট কম নিয়ে নবম স্থানে আছে পাকিস্তান।

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো সিরিজ না থাকায় তাদের রেটিংয়ে কোনো পরিবর্তন আসছে না। ফলে বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের উপরে থাকবে। বিপরীতে নবম স্থানে থাকা পাকিস্তানের শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে সিরিজ আছে। ফলে অষ্টম স্থানের জন্য পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে লড়াই হবে।

কিন্তু জিম্বাবুয়ে ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ পরিবর্তন করে এখন ত্রি-দেশীয় সিরিজের আয়োজন করার কথা হচ্ছে। এতে নতুন করে নেয়া হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ফলে বাংলাদেশের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যাচ্ছে।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির হিসাবের বাইরে থাকা জিম্বাবুয়ে এ ত্রিদেশীয় সিরিজের মূল উদ্যোক্তা। তারাই উদ্যোগী হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘সম্প্রতি আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ওয়েস্ট ​ইন্ডিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে। তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।’

জিম্বাবুয়ে যেহেতু আয়োজক, স্বাভাবিকভাবেই তারাই আমন্ত্রণ জানাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। কিন্তু হঠাৎ​ কেন এ পরিকল্পনা? বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ দুটো ম্যাচ জয়ের পর। তবে কি জিম্বাবুয়েকে সামনে রেখে আড়ালে কলকাঠি নাড়ছে অন্য কেউ?

জেডআই