দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম গত ২ সেপ্টেম্বর আসিফ মাহমুদসহ ডজনখানেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করে। পরে গত ৩ সেপ্টেম্বর চার ধরনের নথি তলব করে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, সাবেক এই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে সম্প্রতি ঘুষ, বিতর্কিত পদায়ন, টেন্ডার বাণিজ্য এবং বিশ্বের ৫টি দেশে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের মতো আরও গুরুতর অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। নতুন অভিযোগে বলা হয়, নিজ দুই বোন জামাই ও ভাগিনাকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড ও পর্তুগালে এসব অর্থ পাচার করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ, ৩৬ জন ডিসি পদায়ন বাণিজ্য, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন গ্রহণ এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও নতুন অনুসন্ধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “কখনও বলা হয় ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা, কখনও ১১ হাজার কোটি টাকা, আবার কখনও ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সরকারের উচিত আগে নিজেরা সিদ্ধান্ত নেওয়া যে তারা কী বলবে।” দুদক আগের মতো রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বর্তমানে এই অনুসন্ধানের আওতায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমসহ আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া ও নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুদক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এমএম





