শেষ ওভারে জয়ের জন্য মুম্বাইয়ের প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। হোল্ডারের প্রথম তিন বলেই তিন ছক্কায় খেলা শেষ করে দেন ডেভিড। তার স্ট্রাইক রেট ৩২১.৪২! বৃথা গেল জয়সওয়ালের সেঞ্চুরি! আইপিএলের হাজারতম ম্যাচ জয়ে রাঙাল মুম্বাই।
এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রাজস্থানের অধিনায়ক সাঞ্জু স্যামসন। তবে এক যশস্বী জয়সওয়াল ছাড়া বাটলার-হেটমায়ার ও স্যামসনসহ সবাই ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন। সতীর্থদের ব্যর্থতা নিজের দারুণ ইনিংসে ঢেকে দিয়েছিলেন জয়সওয়াল।
একাই একশো জয়সওয়াল
ক্যামেরন গ্রিনকে ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বড় ইনিংস খেলার বার্তা দিয়েছিলেন জয়সওয়াল। সেই যে শুরু, এরপর কেবল ছুটলেন। এদিন তার ব্যাট যেন ছিল খোলা তরবারির মতো। রাইলি মেরেডিথকে এক ওভারে মারেন চারটি চার। ছক্কা থেকে বিরত রাখতে পারেননি জোফ্রা আর্চারও। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ৩২ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন জয়সওয়াল। পরের পঞ্চাশ রান তুলতে তার লাগে কেবল ২১ বল। ৫৩ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রাজস্থানের এই ব্যাটার।
শেষ পর্যন্ত তার ব্যাট থেকে আসে ৮ ছক্কা ও ১৬ চারের মারে ৬২ বলে ১২৪ রান। শুধু চার-ছয় মেরেই ১১২ রান তুলেছেন জয়সওয়াল। আইপিএলে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ১২৮ রানের ইনিংস খেলার পথে ১৫ চার ও ৭ ছক্কায় বাউন্ডারি থেকে ১০২ রান নেন রিশভ পান্ত।
ডেভিডের তিন ছক্কা
আইপিএলের হাজারতম ম্যাচটা জয়সওয়ালের হয়ে কথা বললেও শেষ দিকে চিত্রনাট্যটা নিজের করে নেন মুম্বাইয়ের ব্যাটার টিম ডেভিড। শেষ ওভারে ডেভিডের টানা তিন ছক্কাতেই জয় নিশ্চিত হয় মুম্বাইয়ের। ১৪ বলে ৪৫ রান করেন এই ব্যাটার। মেরেছেন ২টি চার আর ৫টি ছক্কা। ডেভিডের পাশাপাশি ক্যামেরন গ্রিনের ২৬ বলে ৪৪ আর সূর্য কুমার যাদবের ২৯ বলে ৫৫ রান মুম্বাইকে বড় টার্গেট তাড়ায় এগিয়ে রেখেছিল।
এবি





