শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ চলাকালীন স্কোয়াডের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও নাইম হাসানের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলা নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। প্রশ্ন উঠেছে বিসিবি'র পেশাদারিত্ব নিয়েও। ডিপিএলে কিছু বিশেষ ক্লাবের স্বার্থ রক্ষায় বিসিবি'র এমন সিদ্ধান্ত কি না, সেটিও আছে আলোচনায়। এদিকে, মিরপুরে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভরাডুবিতে রীতিমত হতাশ বিশ্লেষকরা।

অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে চলছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। মিরপুরে চলছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। জাতীয় দলের ১৫ সদস্যের স্কোয়াডের দুই ক্রিকেটার সাভারে বিকেএসপিতে খেলছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ।

ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ায় হয়ত কখনো কখনো খুঁজে পাওয়া যেতে পারে এমন ঘটনা। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটে এর চর্চা একেবারে নেই বললেই চলে। তাহলে কেনো টেস্ট চলাকালীন মোসাদ্দেক সৈকত এবং নাঈম হাসানকে খেলার সুযোগ দেয়া হলো ডিপিএলে। বিশ্লেষকদের প্রশ্ন তাহলে কি শুধু কিছু নির্দিষ্ট ক্লাবকে সুবিধা দেয়ার জন্যই এই রীতির চর্চা? আর সৈকতকে বাদ দিয়ে কোন মাপকাঠিতে দলে নেয়া হলো সাব্বিরকে।

সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদ বলেন,'আজকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত যদি আবাহনী টিমের না হয়ে অন্য কোনো টিমের খেলোয়াড় হতো তাহলে কি তাকে ছেড়ে দেয়া হতো? আমার কিন্তু সেটা মনে হয় না। সাব্বির রহমানকে আমি শুধু এই টেস্ট দিয়ে বিচার করতে চাই না। তার যে প্রতিভা রয়েছে সেটার কতটুকু প্রমাণ আমরা দেখতে পেয়েছি। প্রতিভা দিয়ে আপনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকতে পারবেন না। আপনাকে টিকতে হবে পারফরম্যান্স দিয়ে।'

মিরপুরে যখন নিজেদের তৈরী জালে আটকে খাবি খাচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। তখন প্রশ্ন উঠে টাইগারদের ব্যাটিং সামর্থ্য নিয়ে। একেবারেই কি কঠিন কাজ ছিলো এ উইকেটে ব্যাট করা। আর যাদের দায়িত্ব নিয়ে খেলার কথা ছিলো তারা কতটা দায়িত্বশীল হতে পেরেছেন। তবে এখান থেকেও মিরপুর টেস্ট জয়ের দিবা স্বপ্ন টাইগার অলরাউন্ডার মেহেদী মিরাজের।

এসএম