প্রস্তুতি ম্যাচে ৮ উইকেটের জয়। সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টিতে ৪৫ রানের জয়। ক্রিকেটিয় পারফরম্যান্স বিবেচনায় রীতিমত উড়ছে আফগানিস্তান। ঠিক বিপরীত অবস্থায় বাংলাদেশ। সর্বশেষ তারা উপমহাদেশের দুই পরাশক্তি ভারত ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লড়াই করে নিদাহাস টি-টুয়েন্টি ট্রফির ফাইনালে খেলেছে। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স হতাশাজনকই। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটায় হেরে ব্যাক ফুটে বাংলাদেশ। কারণ, দেরাদুনে মঙ্গলবারের দ্বিতীয় ম্যাচটি হারলে সিরিজই খোয়াতে হবে। সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে রাত সাড়ে আটটায় সাকিব আল হাসানরা মুখোমুখি হবেন আফগানিস্তানের।
এর আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে কোন টি-টুয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হয়নি বাংলাদেশ। একবারই সাক্ষাৎ হয়েছিল এই ফরম্যাটের ক্রিকেটে। সেটা ২০১৪ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে। পরে ব্যাট করে বাংলাদেশ নিজেদের সবচেয়ে বড় জয়টি পেয়েছিল, ৯ উইকেটে। তবে রোববার দেরাদুনের হারটি টাইগারদের জন্য লজ্জারই। যদিও টি-টুয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে আফগানরা ৮ম স্থানে, আর বাংলাদেশ রয়েছে ১০ম স্থানে। তারপরও মাত্র একবছর আগে টেস্ট মর্যাদা পাওয়া দেশটির কাছে এমন হার আত্মসম্মানে আঘাত দেয়ার মতই।
আগের ম্যাচে মিডল ওভারে বাংলাদেশ চেপে ধরেছিল আফগানিস্তানকে। কিন্তু শেষ ৫ ওভারে ৭১ রান তোলে দলটি। টাইগারদের সামনে রাখে ১৬৮ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই তাদের তারা আফগানিস্তানের দুই স্পিনার মুজিব উর রহমান ও মোহাম্মদ নবীর ঘূর্ণির মুখে পড়েন। এরপর বিস্ময় লেগস্পিনার রশিদ খান এবং পেসার শাপুর জাদরান এসে ধসিয়ে দেন বাংলাদেশের ইনিংস। ১২২ রানেই অল আউট হয়ে যায় দলটি।
দ্বিতীয় ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য সহজ হবে না। আর আফগানিস্তানও মানসিকভাবে এগিয়ে রয়েছে। শেষ পর্যন্ত টাইগার বাহিনী সিরিজ হার এড়াতে পারে কিনা তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত।





