শুরুতেই ক্যাচ মিস। বোলিংয়ে ব্যর্থতা। রানের খাতা খোলার আগে উইকেট হারানো। শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং ব্যর্থতা বজায় থাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লজ্জার হার হারল বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শ্রীলঙ্কার দেয়া ৩৩৩ রানের জবাবে ৪৭ ওভারে ২৪০ রান সংগ্রহ করতেই ইনিংস শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। ফলে ৯২ রানে হেরে যায় তারা।
টার্গেটে ব্যাট করতে রানের খাতা খোলার আগেই বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন বাংলাদেশের ওপেনার তামিম ইকবাল।
কয়েকটি চার মেরে ব্যাটিং শুরু করা সৌম্য সরকার (২৫) খোঁচা দিয়ে উইকেটরক্ষক সাঙ্গাকারার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন। মাঠে এসে ১ রান করে বিদায় নিয়েছেন মুমিনুল হক।
দলের পক্ষে সাব্বির রহমানের ৫৩ রানই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। এছাড়া সাকিবের ৪৬ ও মুশফিকের ৩৬ রানই উল্লেখযোগ্য।
শ্রীলঙ্কার বোলার মালিঙ্গা তিনটি উইকেট শিকার করেন। দুটি করে উইকেট পান লাকমাল ও দিলশান। একটি করে উইকেট নেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও থিসারা পেরেরা।
এর আগে দিলশানের সার্ধ-শতক ও সাঙ্গাকারার শতকে নির্ধারিত ৫০ ওভারে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে ৩৩২ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।
এদিন উদ্বোধনী ওভারে মাশরাফি বিন মর্তুজার তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলে দেন লঙ্কান ওপেনার থিরিমান্নে।। কিন্তু হাতের মুঠোয় ক্যাচ পেয়ে তা আটকে রাখতে পারেননি বাংলাদেশের এনামুল।
ধীর গতিতে রানের চাকা ঘুরাতে থাকে উদ্বোধনী জুটির থিরিমান্নে ও দিলশান। তবে আরো একবার জীবন ফিরে পায় থিরিমান্নে। ফলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে ভুল করেননি তিনি। অবশেষে ৫২ রান করে এই ব্যাটসম্যান রুবেলের বলে তাসকিনের তালুবন্দী হলে ১২২ রানে ইতি টানে লঙ্কানদের উদ্বোধনী জুটি।
দিলশানের সঙ্গে বাংলাদেশের বোলারদের উপর চালায় তুমুল তাণ্ডব চালান ওয়ানডাউনে মাঠে নামা কুমার সাঙ্গাকারা।
সেঞ্চুরি পূর্ণ করে দিলশান যেন সিঙ্গেল রান নেয়া ভুলে যান। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই পূর্ণ হয় তার দেড়'শ রান। শেষ পর্যন্ত ১৬১ বলে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১৪৬ বলে ২২ চারে এই স্কোর করেন তিনি।
সমানভাবে বাংলাদেশের বোলারদেরকে তুলোধুনো করেন সাঙ্গাকারা। ফলে মাত্র ৭৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৭৬ বলে ১৩ চার ও একটি ছক্কায় ১০৫ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটসম্যান।
জেডআই





