জমকালো আয়োজনে বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত দক্ষিণ কোরিয়া। শীতকালীন অলিম্পিকের ২৩ তম আসর শুরু হচ্ছে আজ। সব আয়োজন শেষ। হবে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অংশ নেবে ৯২টি দেশ।
এরইমধ্যে ভিলেজে পৌঁছে গেছেন অংশগ্রহণকারী দেশের অ্যাথলেটরা। উইন্টার অলিম্পিক্সের বিস্তারিত সব খবর থাকছে এবারের প্রতিবেদনে।
পায়ংচ্যাং। দক্ষিণ কোরিয়ার পাহাড় আর সবুজে ঘেরা চমৎকার এক শহর। তীব্র ঠান্ডায় এখানকার সহজ সরল সাধারণ মানুষগুলোর জীবনে প্রাণের স্পন্দন এনেছে শীতকালীন অলিম্পিক গেমস।
২৩তম শীতকালীন অলিম্পিক গেমসকে স্বাগত জানাতে উৎসবের সাজে সেজেছে পুরো শহর। তীব্র ঠাণ্ডার মাঝেও চলছে সবার মাঝেই উৎসবের আমেজ।
ছিল নানা প্রতিবন্ধকতা। প্রতিবেশী দেশ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে চির বৈরি সম্পর্কের কারণে অলিম্পিক আয়োজন নিয়েই দেখা দিয়েছিলো অনিশ্চয়তা। গেল বছর বেশ কয়েকবার পারমানবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া।
খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা ভেবে আসর থেকে নাম প্রত্যাহারের হুমকি দেয় ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও উত্তর কোরিয়া। তবে, এবছর জানুয়ারিতে সব সমস্যার সমাধান হওয়ায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় ৯২টি দেশের।
দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে এবার ১৫টি ডিসিপ্লিনে ১০২টি টি ইভেন্টে অংশ নেবেন ২ হাজার ৯৫২ জন অ্যাথলেট। ১৯৮৮ সালের সিউল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের পর প্রথমবারের মত শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজন করছে দক্ষিণ কোরিয়া।
বিশ্বকে চমকে দিতে থাকবে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। পায়ংচ্যাং অলিম্পিক স্টেডিয়ামে হবে উদ্বোধন। অনুষ্ঠানে দর্শকদের মাতিয়ে রাখবেন দেশ বিদেশের নামকরা সব শিল্পীরা।
এবার আসরে প্রথমবারের মত অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছে ইকুয়েডর, ইরিত্রিয়া, কসোভো, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও সিঙ্গাপুর। নিয়মিত ইভেন্টগুলোর সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন চারটি ইভেন্ট বিগ স্নো বোরডিং, মিক্সড ডাবলস কারলিং, স্পিড স্কেটিং ও টিম অ্যালপাইন স্কেটিং।
সোচি অলিম্পিক মাদক নেয়ার দায়ে রাশিয়ান অ্যাথলেটদের অংশ নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলো আইওসি। তবে, আপিল করেও খুব একটা কাজ হয়নি। নিরপেক্ষ পতাকাতলে অবশ্য দেখা যাবে বেশ কজন অ্যাথলেটকে।
সব ছাপিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুরো বিশ্বকে মাতিয়ে রাখবেন দেশ বিদেশের অ্যাথলিটরা। এ আসর থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে টোকিও ২০২০ অলিম্পিক সফলভাবে আয়োজন করতে চায় জাপান।
এএস





