৪৫০ বলে ট্রিপল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন তাওহিদ হৃদয়। বাংলাদেশের মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি।

এর আগে ম্যাচের চতুর্থ দিনেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন হৃদয়। কিন্তু সেখানেই থামেননি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের এই অধিনায়ক। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের ওপর আধিপত্য ধরে রেখে দলকে নিয়ে গেছেন প্রথম ইনিংসে লিডের দোরগোড়ায়।

জাকেরের সঙ্গে ১৫১ রানের জুটি

হৃদয়ের ঐতিহাসিক ইনিংসের পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন জাকের আলী। পঞ্চম উইকেটে দুজনের ১৫১ রানের জুটি বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে।

দারুণ ব্যাটিং করেও মাত্র ছয় রানের জন্য সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন জাকের। ১৬৮ বলে ৯৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

সাইফউদ্দিনকে নিয়ে আরও বড় জুটি

জাকের ফেরার পরও থামেনি হৃদয়ের ব্যাট। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে গড়ে তোলেন আরও বড় জুটি।

এই জুটিতে দুজন যোগ করেন ১৮৫ রান। সাইফউদ্দিন ১৭১ বলে করেন ৮৭ রান। আর অন্য প্রান্তে অবিচল থেকে নিজের ইনিংসকে নিয়ে যান ট্রিপল সেঞ্চুরির মাইলফলকে।

শুরুতে দাপট ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য পুরোপুরি দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের নিয়ন্ত্রণে ছিল। প্রথম ইনিংসে তারা সংগ্রহ করে ৫১২ রান।

দলের হয়ে লেসেগো সেনোকওয়ান করেন ১১১ রান এবং সিনেথেম্বা কেশিলের ব্যাট থেকে আসে ১২৮ রান। গ্যাভিন কাপলানও সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে থামেন ৯৭ রানে।

বিশাল এই সংগ্রহের জবাবে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৭১ রান করেছিল বাংলাদেশ ‘এ’। সেখান থেকে শেষ দিনে তাওহিদ হৃদয়ের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে বদলে যায় ম্যাচের গতিপথ।

৪৫০ বলে ৩০০—হৃদয়ের এই ইনিংস এখন বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ইতিহাসে স্মরণীয় এক অধ্যায়।

এস