উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে নিজ নিজ দলের হয়ে বড় জয় পেয়েছে দুই স্পানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।

ক্রিস্টিয়ানে রোনালদো ও করিম বেনজেমার গোলে লিভারপুলের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। অপর ম্যাচে মালমোকে ৫-০ গোলে হারিয়েছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।

বুধবার বড় ব্যবধানে জিতলেও প্রথম গোল পেতে ২৩ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। ম্যাচের প্রথম দিকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি রোনালদো-বেনজেমা-রদ্রিগেজদের। তবে ঘুরে দাঁড়াতে বেশি সময় নেননি কার্লো আনচেলত্তির দল। ম্যাচের ২৩তম মিনিটে হাশেম রদ্রিগেজের সঙ্গে ওয়ান টু খেলে দলকে প্রথম এগিয়ে দেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রোনালদো।

প্রথম গোল পেতে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হলেও দ্বিতীয় গোল পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি রিয়ালকে। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন করিম বেনজেমা। টনি ক্রুসের কর্নার কিক থেকে দারুণ এক হেডে নিজের প্রথম গোলটি আদায় করে নেন এই ফরাসি স্ট্রাইকার।

বিরতির কিছু আগে আবারো এগিয়ে যায় রিয়াল। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে জটলার মধ্যে বল পেয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তিন নাম্বার গোলটি করেন বেনজেমা। ফলে ৩-০ তে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় রিয়াল।

বিরতি থেকে বেশ কিছু সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় আনচেলত্তির দল। ফলে শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় রিয়াল মাদ্রিদকে।

দিনের অপর ম্যাচে মালামোর বিপক্ষে ৫-০ গোলের বিশাল জয় পেয়েছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। বড় ব্যবধানে জিতলেও প্রথমার্ধে গোল শূণ্যই  ছিলো অ্যাতলেটিকো। দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাতলেটিকোর হয়ে পাঁচটি গোল করেন কোকে, মারিও মানজুকিচ, আন্তোনিও গ্রিজমান, দিয়েগো গদিন ও আলেসসিয়ো সেরসি।

গোলশূণ্য অবস্থায় দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে অ্যাতলেটিকোর হয়ে প্রথম গোলমুখ খোলেন কোকে। এরপর ম্যাচের ৬১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মানজুকিচ। দুই মিনিট পরই দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি আদায় করে নেন গ্রিজমান। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে গদিনের গোলে ৪-০ তে এগিয়ে যায় দিয়েগো সিমেওনের দল। এরপর ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে আর একটি গোল করেন সেরসি। ফলে শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের বিশাল জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।

এএইচ