আবারও বাংলাওয়াশ হল জিম্বাবুয়ে। টেস্টের পর ওয়ানডেতেও সফরকারীদেরকে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা। সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডেতে ৫ উইকেটে জয় তুলে নিয়ে হোয়াইটওয়াশ করার আনন্দে মেতে উঠে মাশরাফিরা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩-০তে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর দুই ম্যাচ হাতে থাকতে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজটি নিজেদের করে নিয়েছিল স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত বাকি দুটি ম্যাচেও জয় তুলে নিল তারা।
এই নিয়ে ওয়ানডেতে দ্বিতীয়বারের মতো জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব দেখাল বাংলাদেশ। আর সব মিলিয়ে নবমবারের মতো হোয়াইটওয়াশের রেকর্ড গড়ল টাইগাররা।
শেষ ম্যাচে অন্তত জয় পেতে মরিয়া ছিল জিম্বাবুয়ে। তবে সেটা সম্ভব হলো না। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক ওয়ানডেতে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড গড়ে সফরকারীদের স্বপ্ন ধুলোয় মিশিয়ে দিলেন তাইজুল ইসলাম।
এদিন টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু তাইজুল ও সাকিবের স্পিন ঘূর্ণিতে উড়ে গেল তাদের ব্যাটসম্যানরা। ফলে মাত্র ৩০ ওভারে ১২৮ রান সংগ্রহ করতেই ইনিংস শেষ হয়ে যায় তাদের।
দলীয় ১৬ রানে সফরকারীরা প্রথম উইকেট হারালেও আশার আলো দেখিয়েছিলেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও ভুজি সিবান্দা। কিন্তু ৭৯ রানেই তাদের জুটি থামিয়ে দেন বাংলাদেশের বোলার জুবায়ের হোসেন। ৫২ রান করা মাসাকাদজাকে বোল্ড করে দেন তিনি।
এরপর ৩৭ রান করে সিবান্দা সাজঘরে ফিরলে বাকিরা মাঠে আসা যাওয়া ছাড়া কিছুই করতে পারেননি। কেউই পৌঁছতে পারেনি রানের খাতায় দুই অঙ্কের ঘরে।
বাংলাদেশের বোলার তাইজুল ইসলাম সাত ওভারে ১১ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন। এছাড়া সাকিব তিনটি, জুবায়ের দুটি ও মাশরাফি একটি উইকেট নেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশও বেশি একটা সুবিধা করতে পারেনি। দলীয় ১৮ রানে তামিম ইকবালকে (১০) হারায় তারা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে সাজঘরে ফিরে যান এনামুল (৮), সৌম্য সরকার (২০), সাকিব আল হাসান (০) ও মুশফিকুর রহিম (১১)।
ব্যতিক্রম ছিলেন মাহমুদুল্লাহ। দলীয় ৯৩ রানে মুশফিক চলে যাওয়ার পর সাব্বির রহমানকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন তিনি। তার হাফ-সেঞ্চুরিতে ভর করে ২৪.৩ ওভারে ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় টাইগাররা। ৫১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার সঙ্গে ১৩ রান নিয়ে খেলা শেষ করেন সাব্বির রহমান।
জেডআই





