পয়েন্ট তালিকায় ফের তিন নম্বরে কেকেআর। চেন্নাই সুপার কিংসকে সাত উইকেটে হারিয়ে এ তালিকায় উঠে আসে গম্ভীররা। নয়কের ভূমিকা রাখেন রবিন উথাপ্পা এবং ক্যারিবিয়ান আন্দ্রে রাসেল।
ইডেনের মন্থর পিচে নাইটদের সামনে ১৬৬ রানের টার্গেটটা নিতান্তই কম ছিল না। শুরুটা ভালো হলেও দলীয় ৩৩ রানে অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের ডাগ-আউটে ফেরা নাইটদের জয়ের পথ কঠিন করে দিয়েছিল। কিন্তু রবিন উথাপ্পার দায়িত্বশীল ও আন্দ্রে রাসেলের ঝড়ো ইনিংস তা হতে দেয়নি।
এক বল বাকি থাকতে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় কলকাতা। গম্ভীরের (১৯) পর মানিষ পাণ্ডে (৩) এবং সুরাইয়াকুমার যাদব (২) দ্রুত ডাগ-আউটে ফেরায় প্রথম ১০ ওভারে নাইটদের রান তোলার গতিও ছিল অত্যন্ত মন্থর।
স্কোরবোর্ডে ছিল মাত্র তিন উইকেটে ৬৬। কিন্তু রাসেলের আগমনে পাল্টে যায় ম্যাচের রং। জ্যামাইকান অল-রাউন্ডারের 'মাসেল' ইনিংসে দিশাহারা হয়ে যায় চেন্নাই বোলাররা। ৩২ বলে চারটি ছক্কা ও চারটি বাউন্ডারিসহ ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা রাসেল। আর ৫৮ বলে সাতটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৮০ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন উথাপ্পা।
আগের ম্যাচে চিপকে মাত্র ২ রানে হেরে বৃহস্পতিবার ইডেনে 'বদলা'র ম্যাচে নেমেছিল গম্ভীর অ্যান্ড কোং। টস জিতে এদিনও ধোনিদের প্রথম ব্যাট করতে আমন্ত্রণ জানান নাইট অধিনায়ক গম্ভীর।
ইনিংসের প্রথম বলেই ডোয়াইন স্মিথকে ডাগ-আউটে ফিরিয়ে নাইটদের স্বপ্নের শুরু দেন প্যাট কামিন্স। ব্রেন্ডন ম্যাকালাম মাত্র ১২ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেললেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ব্র্যাড হগের বলে এলবিডব্লিউ হন সুপার কিংসের কিউই ওপেনার। রায়না, ধোনি, ডু'প্লেসিস দ্রুত ফিরে যাওয়ায় বড় রানের সম্ভাবনা কমে যায় চেন্নাইয়ের।
কিন্তু শেষ দিকে পবন নেগির ঝড়ো (১৩ বলে ২৭) ইনিংসে দেড়শর গণ্ডি টপকায় সিএসকে। ডোয়াইন ব্র্যাভো ৩০ ও রবীন্দ্র জাদেজা ২৪ রান করেন। বল হাতে দুরন্ত হগ। চার ওভারে ২৯ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন ৪৪ বছরের সাবেক বাম হাতি অজি স্পিনার। নাইটদের পরের ম্যাচ শনিবার বেঙ্গালুরুতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে। সূত্র : ডেইলিস্পোর্টস২৪.কম।
কেএইচ





