পাল্লেকেলেতে প্রথম ইনিংসে ১০৮ রানের লিড পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৪৪ রান করেন দলটির অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে।

চতুর্থ দিন সারাদিনই বাংলাদেশ বোলাররা বেকার খাটনি খেটেছে। অন্যদিকে পিচের পূর্ণ ফায়দা তুলেছে শ্রীলঙ্কা। তৃতীয় দিন অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়া দিমুথ করুনারত্নে ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভা চতুর্থ দিনের পুরোটাই ব্যাটিং করেছে।

চতুর্থ দিনে সেঞ্চুরির পর ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন করুনারত্নে। অন্যদিকে সেঞ্চুরি হাঁকানোর পর ডাবল সেঞ্চুরির পথে ছিলেন ধনঞ্জয়া।

৫১২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চতুর্থ দিন শেষ করেছিল শ্রীলঙ্কা। ২৩৪ রান করে অপরাজিত থেকে পঞ্চম দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন লঙ্কান অধিনায়ক করুনারত্নে এবং ১৫৪ রান করে অপরাজিত থেকে ক্রিসে এসেছিলেন ধনঞ্জয়া। দিনের প্রথম সেশনে কিছুটা আগ্রাসী খেলার প্রবণতা দেখা যায় করুনারত্নে ও ধনঞ্জয়ার মধ্যে।

প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার আগেই অবশেষে উইকেট পড়ে শ্রীলঙ্কার। ১৬৬ রান করা ধনঞ্জয়াকে বোল্ড করেন তাসকিন। সেই সাথে ভাঙে দিমুথ-ধনঞ্জয়ার ৩৪৫ রানের বড় জুটি। ধনঞ্জয়ার বিদায়ের পর সাজঘরে ফিরেন ট্রিপল সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকা লঙ্কান অধিনায়কও। এবারো বাংলাদেশকে উইকেট এনে দেন তাসকিন। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৩৭ বলে ২৪৪ রান করেন দিমুথ করুনারত্নে।

এই দুই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পরই আগ্রাসী ভূমিকায় দেখা যায় লঙ্কান উইকেটরক্ষক নিরোশান ডিকভেলাকে। দ্রুত রান তোলাই ছিল তার লক্ষ্য। দিমুথের বিদায়ের পরই পাথুম নিশাঙ্ককে ফিরিয়ে এই টেস্টের প্রথম উইকেট লাভ দকরেন এবাদত। হাসারাঙ্গাকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান তোলার কাজটা চালিয়ে যান ডিকভেলা। দলীয় ৫৮৫ রানে ভুল বোঝাবুঝিতে সাজঘরে ফিরতে হয় ৩৩ বলে ৩১ রান করা ডিকভেলাকে।

তাতেও কী থেমে থাকে শ্রীলঙ্কা? ডিকভেলার বিদায়ের পর লাকমলকে নিয়ে লিড বড় করতে থাকেন হাসারাঙ্গা। লাঞ্চ বিরতির আগ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ৬৪৯ রান সংগ্রহ করেছে শ্রীলঙ্কা।বিডিক্রিকটাইম

সংক্ষিপ্ত স্কোর: 
বাংলাদেশ (১ম ইনিংস) (শান্ত ১৬৩, মুমিনুল ১২৭, তামিম ৯০: ফার্নান্দো ৪-৯৬)

শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস) (করুনারত্নে ২৪৪, ধনঞ্জয়া ১৬৬, হাসারাঙ্গা ৪৩ : তাসকিন ৩-)

এমবি