প্রথমে টসে হারে পাকিস্তান। শুরুতে ব্যাট করে ভারত। লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। ফলে খেলায়ও হারে। বিশ্বকাপে গত পাঁচটি ম্যাচেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে এভাবে হেরেছিল পাকরা। এবারও ব্যতিক্রম হল না। হারল ৭৬ রানে।
রোববার অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ওভালে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩০০ রান সংগ্রহ করে টসজয়ী ভারত। জবাবে ৪৭ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২২৪ রান করতে পারে পাকিস্তান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। মোহাম্মদ সামির বলে ধোনির হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন ৬ রান করা ইউনিস খান।
এরপর আহমেদ শেহজাদ ও হারিস সোহাইল দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের ৬৮ রানের জুটি ভেঙে গেলে আর কেউই হাল ধরতে পারেননি।
অশ্বিনের বলে রায়নার হাতে ক্যাচ আউট হন সোহাইল (৩৬)। পরে উমেশ যাদবের বলে জাদেজার তালুবন্দী হন ৪৭ রান করা শেহজাদ। দুই বল পরে রানের খাতা খোলার আগে সোহাইব মাকসুদকে বিদায় করে দিয়ে পাকদেরকে কাবু করে ফেলেন যাদব।
উমর আকমল এসে চার বল খেললেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। এর মধ্য দিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় পাকিস্তান।
আফ্রিদি আর মিজবাহ ম্যাচটিকে কিছুক্ষণ বিলম্বিত করার কাজ করেন। তবে ২২ বলে ২২ রান করা আফ্রিদি আউট হওয়ার পর সেটি আর বিলম্বিত হল না। ক্রিজে এসেই বিদায় নিলেন ওয়াহাব রিয়াজ (৪)।
২২ গজের এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকে রানের চাকা ঘুরাতে থাকেন অধিনায়ক মিজবাহ। করেন হাফ-সেঞ্চুরি। এরপর মোহাম্মদ সামির বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে রাহানের তালুবন্দী হন। মাঠ ছাড়ার আগে ৮৪ বলে ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় ৭৬ রান করেন।
৪৬ তম ওভারে নবম উইকেট হিসাবে মিজবাহর সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর ৪৭তম ওভারের শেষ বলে ইনিংস গুটিয়ে যায় তাদের।
ভারতের বোলার মোহাম্মদ সামি সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান। দুটি করে উইকেট পান মুহিত শর্মা ও উমেশ যাদব।
এর আগে বিরাট কোহলির সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩০০ রান সংগ্রহ করেছে ভারত।
জেডআই





