দুই ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল। জয়ের ধারাটি অব্যাহত রাখতে টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে মাঠে নেমেছিল তারা। কিন্তু সিরিজের একমাত্র ম্যাচটিতে ১৩ রানে হেরেছে স্বাগতিকরা।
শনিবার কক্সবাজারে ওপেনার জাভেরিয়া খানের হাফ-সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১২৬ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৬টি উইকেট হারালেও ১১৩ রানের বেশি সংগ্রহ করতে পারেনি বাংলাদেশ।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শামিমা সুলতানা ও আয়েশা রহমানের ৩০ রানের জুটি ভালো ইঙ্গিত দিয়েছিল। সানা মির ১২ রানে আয়েশাকে ফেরানোর পর বিপত্তি শুরু। ৩০ রানে প্রথম উইকেট হারানো বাংলাদেশ আসমাভিয়া ইকবাল খোখারের জোড়া আঘাতে ৩৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারায়। শামিমা ১৮ রানে ও অধিনায়ক সালমা খাতুন শূন্য হাতে তার শিকার হন।
তবুও রুমানা আহমেদ ও ফারজানা হকের ৪১ রানের জুটিতে আবারও পথে ফিরেছিল স্বাগতিকরা। রুমানা ১৬ রানে সানিয়া ইকবালের বলে সৈয়দা ফাতিমা আবিদির হাতে বন্দি হন।
সানজিদা ইসলামকে নিয়ে ফারজানার ২৬ রানের জুটি হাল ধরেছিল। কিন্তু দলীয় ১০০ রানে আবারও ব্রেকথ্রু পাকিস্তানের। ফারজানা ৩৫ ও সানজিদা ৮ রানে সাজঘরে ফেরেন।
দুই ওভার তিন বল হাতে রেখে ২৭ রান প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। লতা মন্ডল ও নুজহাত তাসনিয়া পেরে ওঠেননি পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে। শেষ ওভারে ১৮ রান প্রয়োজন পড়লে তারা পাঁচটি রান যোগ করতে পেরেছিলেন। পাকিস্তানের আসমাভিয়া দুটি উইকেট পান।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দলের তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে ১১ ও ১২ রানে পাকিস্তান প্রথম দুটি উইকেট হারায়। তবে জাভেরিয়া ও বিসমাহ ‍মারুফের ১০৯ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। ৪৮ বলে পাঁচটি চারে ফিফটি করে জাভেরিয়া ৫৮ রানে সাজঘরে ফিরলে এই জুটি ভাঙে। চার বল বাকি থাকতে জাহানারা আলমের কাছে বোল্ড হন তিনি।
শেষ ওভারের পঞ্চম বলে ৩৯ রানে রান আউট হন বিসমাহ। চার রানে অপরাজিত ছিলেন আসমাভিয়া ইকবাল খোখার। অপর প্রান্তে নেমেছিলেন সানিয়া ইকবাল।