জয় পেতে হলে রান তাড়া করার রেকর্ড গড়তে হবে বাংলাদেশ। পারবে কি টাইগার শিবির? টি২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডটি ২০০৭ সালে।
যেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ১৬৪ রান তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর এরচেয়ে বেশী রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই মাশরাফিদের।
টসে জিতে আজ খুলনায় আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে জিম্বাবুয়ে। জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হতো রান তাড়ার রেকর্ড। কিন্তু সেই রেকর্ড গড়তে পারেনি স্বাগতিক শিবির।
তৃতীয় টি২০ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ৩১ রানে হেরে গেছে মাশরাফি বাহিনী। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের ইনিংস থামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৬ রানে।
টানা দুই হারে তেতে ছিল জিম্বাবুয়ে। তৃতীয় ম্যাচের আগে ঘুড়ে দাঁড়ানোর প্রবল আত্ববিশ্বাস ছিল সফরকারীদের মনে।
তৃতীয় ম্যাচটি জিতে তারই প্রমাণ দিল চিগুম্বুরা শিবির। সেই সঙ্গে সিরিজে ব্যবধান ২-১ এ নামিয়ে আনল তারা। আগামী ২২ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে চার ম্যাচ টি২০ সিরিজের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচ।
ঐ ম্যাচটি জিততে পারলে সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ। আর জিম্বাবুয়ে জিতলে হবে সিরিজ ড্র।
ওপেনিংয়ে নেই হার্ড হিটার তামিম ইকবাল। তাকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে।
ফলে সৌম্য সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্ধোধনী জুটিতে ব্যাট করতে নামে ইমরুল কায়েস। কিন্তু নামের সুবিচার করতে পারেননি তিনি।
তিন বলে মাত্র এক রান করে চিশোরোর বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন গত বিপিএলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ইমরুল।
সাব্বিরের সঙ্গে ভালোই ব্যাট করছিলেন সৌম্য সরকার। শুরুর ধাক্কা তারা কাটিয়ে ওঠে বেশ ভালোমতো। তবে নিজের ইনিংসটাকে লম্বা করতে পারেননি সৌম্য।
২১ বলে ২৫ রান করে তিনি ক্রেমারের বলে ক্যাচ দেন মাসাকাদজার হাতে। সংক্ষিপ্ত ইনিংসে তিনি হাঁকিয়েছেন তিনটি চার ও একটি ছক্কা।
ভালোই করছিলেন সাব্বির। আগের দুই ম্যাচে ফিফটি করতে না পারলেও এদিন ছুয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। এরপরই বিদায় নেন তিনি।
৩২ বলে ৫০ রান করে তিনি সিকান্দার রাজার বলে মুজারবানির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে। ফিফটির ইনিংসে সাব্বিরের ছিল নয়টি চারের মার। তাবে হাঁকাতে পারেননি একটি ছক্কাও।
সময়ের দাবি হিসাবে মিডল অর্ডারে বড় জুটিই ছিল প্রত্যাশিত। কিন্তু তা আর হলো কই। ১০ বলে মাত্র তিন রান করে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্রেমারের বলে ওয়ালারের হাতে তালুবন্দী হন সাকিব আল হাসান।
এর আগে সিকান্দার রাজার বলে সরাসরি বোল্ড হন অভিষেক ম্যাচে নামা মোসাদ্দেক। ১৯ বলে তিনি করেন ১৫ রান।
এরপর বেশীক্ষণ টিকতে পারেননি মাহমুদুল্লাহও। চার বলে মাত্র ছয় রান করে তিনি ফেরেন ক্রেমারের বলে মুতুম্বামির হাতে ক্যাচ দিয়ে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৪.৫ ওভারে ছয় উইকেটে ১০৭ রান।
এসএইচ





