বিশ্বের এক- তৃতীয়াংশ নারী তাদের সঙ্গী বা অন্য পুরুষের কাছ থেকে শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। এর ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নাটকীয় প্রভাব পড়ছে।
সংঘর্ষ ও মানবিক সংকটের সময় নারীর প্রতি এই সহিংসতা আরও বেড়ে যায়। সহিংসতা বন্ধে তাদের প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় বলেও জানায় সংস্থাটি।
শুক্রবার হু'র প্রকাশিত ধারাবাহিক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঠোর ও দূরদর্শী আইন প্রয়োগকারী দেশগুলোতেও নারীরা বৈষম্য ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে। এমনকি সেখানে নারীদের স্বাস্থ্য ও আইনী সুবিধা গ্রহণের অধিকারও নেই।
সংস্থাটির চিকিৎসক ক্লাওডিয়া গারসিয়া-মোরিনো বলেছেন, নারী ও তরুণীদের প্রতি সহিংসতা ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত। এটা সবসময় উপেক্ষিত হয়ে আসছে। অনেক ঘটনা অন্ধকারেই থেকে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এত কিছুর পরেও দেখা যাচ্ছে, বিশ্বে প্রতি তিনজনে একজন নারী তার জীবন সঙ্গী বা অন্য কোনো পুরুষের মাধ্যমে শারীরিক বা যৌন সহিংসতা অথবা উভয় সহিংসতার শিকার হচ্ছে।
গবেষণা সহকারী অধ্যাপক চারলোট ওয়াটস বলেন, 'নারী ও তরুণীদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে কোন যাদুর কাঠি নেই। তবে প্রমাণ বলছে, আমাদের মানসিকতা ও আচার ব্যবহারে পরিবর্তন আনলে এটা সম্ভব এবং তা এক প্রজন্মের মধ্যেই।'
হু বলছে, প্রকৃত কাজ তখনই হবে যখন সরকার নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের যুদ্ধে আরও উপায় নিযুক্ত করবে এবং অর্থনীতির ওপর এটা কিভাবে বিরুপ প্রভাব ফেলছে তা বুঝতে পারবে।
এ বিষয়ে আরও গবেষণার জন্য উৎসাহ প্রদান এবং যেসব পন্থা সফল বলে প্রমাণিত হয়েছে সেগুলো খুব দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে আহবান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এআর/কেএইচ
















