বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানান, আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) হ্যালোইন উৎসবের দিন দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার ‘অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকি’ রয়েছে। এ কারণে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে মোতায়েন করা সাঁজোয়া যান ও জলকামানও প্রস্তুত রাখা হবে।
জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে চলমান বিক্ষোভের কয়েকটি কর্মসূচি ইতোমধ্যে ব্যাপক লুটপাট ও দাঙ্গায় রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নুনেজ বলেন, ৩১ অক্টোবর জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা অত্যন্ত বেশি। এদিন প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারমেরি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এটিকে তিনি বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবারের বিক্ষোভে দেশজুড়ে প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। তবে শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর দাবি, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল এর প্রায় দ্বিগুণ। এর আগের সপ্তাহের বিক্ষোভে দুই হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
এদিকে শনিবার নতুন করে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলন ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো। হ্যালোইন উপলক্ষে মুখোশ পরে সহিংস কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।
নুনেজ সতর্ক করে বলেন, জনসমাগমস্থলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মুখ ঢাকার বৈধ অজুহাত হিসেবে হ্যালোইনকে ব্যবহার করা যাবে না। বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হলেও যেসব শহরকেন্দ্রে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সহিংসতা ঠেকাতে নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।
এনএইচ
















