নিহত রাব্বী একটি বেসরকারি পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি পাসপোর্ট অফিসের সামনে কম্পিউটার-সংক্রান্ত কাজ করতেন। তিনি মাসকান্দা এলাকার জেলা পরিষদ হাইস্কুল রোডের বাসিন্দা মোবারক হোসেন ভুট্টুর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থান করছিলেন রাব্বী। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি হঠাৎ তার ওপর হামলা চালায়।

প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে একটি দোকানের ভেতরে আশ্রয় নেন তিনি। হামলাকারীরাও দোকানের ভেতরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় রাব্বীকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, রাব্বীর প্রতিবেশী সাব্বিরের পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। প্রাথমিকভাবে ওই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

ওসি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে সাব্বির ও তার ভাই জড়িত বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।

হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

এস