হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে ১৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসা শেষে ৯ জন বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে হাসপাতালের শিশু বিভাগে ৯৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৩৭৮ জন রোগী হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ২ হাজার ২২৬ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। একই সময়ে মোট ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার শাপলা বাজার এলাকার চার মাস বয়সী এক কন্যাশিশু রয়েছে। তাকে গত ১৮ জুন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
শুক্রবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, সন্দেহজনক হামের সঙ্গে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার মাইশাচর, সিধলী এলাকার চার মাস বয়সী এক পুত্রশিশুকে ১৬ জুন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের মতে, সন্দেহজনক হামের পাশাপাশি গুরুতর নিউমোনিয়া ও হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতায় সে মারা যায়।
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পলাশকান্দা এলাকার তিন মাস বয়সী এক পুত্রশিশুকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ভর্তি হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি সন্দেহজনক হাম, গুরুতর নিউমোনিয়া এবং জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত ছিল।
অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মদনপুর এলাকার আট মাস বয়সী এক কন্যাশিশুকে গত ৮ জুন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শুক্রবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
চিকিৎসকরা জানান, সন্দেহজনক হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও তীব্র অপুষ্টি (সিভিয়ার অ্যাকিউট ম্যালনিউট্রিশন) তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এমএম