রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ। তিনি বলেন, নতুন আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রটিতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ৭২ থেকে ৭৩ শতাংশ রিকভারি রেট বিবেচনায় নিয়ে এ হিসাব করা হয়েছে।
যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধে ইরানের জ্বালানি খাত যখন নানা চাপে রয়েছে, তখন নতুন এই আবিষ্কার দেশটির গ্যাসের মজুত আরও বাড়িয়ে দিল। তবে গ্যাসক্ষেত্রটির প্রকৃত বাণিজ্যিক মূল্য নির্ভর করবে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করার সক্ষমতার ওপর।
গ্যাস এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রমাণিত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত প্রায় ৩৪ ট্রিলিয়ন ঘনমিটার। এ হিসাবে রাশিয়ার পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রমাণিত গ্যাস মজুতের অধিকারী দেশ ইরান।
বিপুল গ্যাস মজুত থাকা সত্ত্বেও দেশটির জ্বালানি খাত দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটে রয়েছে। নিয়মিত গ্যাসের ঘাটতি, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং শিল্প উৎপাদনে বিঘ্নের মতো সমস্যায় ভুগছে দেশটি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা শুরু করার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তেহরান গত জুলাইয়ে জানিয়েছিল, জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার কারণে দেশটির দৈনিক গ্যাস উৎপাদন প্রায় ২৩ কোটি ঘনমিটার কমে গেছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই, ইন্ডিয়া টুডে
এস