৫ আগস্ট নিহত মো. হাসান (১৯) গুলিস্তানে কাপ্তান বাজার এলাকায় একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত আটটার দিকে নিহত হাসানের বাবা মনির হোসেন বলেন, আমার ছেলে গুলিস্তান কাপ্তান বাজার এলাকার একটি দোকানে কাজ করতো। ৫ তারিখের পর থেকে আমার ছেলের কোনো খবর পাইনি। আমরা ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের কাছ থেকে জানতে পারি, লাশগুলো ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রয়েছে। পরে জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে এসে আমার ছেলের লাশ শনাক্ত করি। আমার এবং আমার স্ত্রী গোলেনুর বেগমের ডিএনএ দিয়ে গেলে এক মাস একদিন পরে তারা আমাদের দেয়। আজ আমরা মর্গে আসি আমার ছেলের মরদেহ নেওয়ার জন্য।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা শহীদ মিনারে নিয়ে জানাজা পড়বে। এরপর আমরা গ্রামের বাড়ি নিয়ে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করবো।
মনির হোসেন জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলা সদরে।
এফএইচ