আয়োজকরা জানিয়েছেন, উৎসবে সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্যও পৃথক ও বিশেষ মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা রাখা হবে।

শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাকিব মুরাদ বলেন, বছরের দুটি ঈদ আমাদের জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ত্যাগ, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির মহান শিক্ষা নিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা সমাগত। আমরা লক্ষ্য করি, পড়াশোনা ও বিভিন্ন একাডেমিক ব্যস্ততার কারণে অনেক শিক্ষার্থী পরিবার-পরিজন ছেড়ে ক্যাম্পাসেই ঈদ উদযাপন করতে বাধ্য হন। তাদের ঘরের অভাব ও একাকিত্ব দূর করতেই আমাদের এই ‘মেজবান’র আয়োজন।

এমএম