বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু হানিফ এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ইফতেখার মাহমুদ।
দণ্ডপ্রাপ্ত পারভেজ মো. আবুল কালাম চকরিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মগবাজার খামারপাড়ার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মেহের আলীর ছেলে।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই রাতে চকরিয়া থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্যের বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে এক যুবক। এ সময় পুলিশ সদস্যের স্ত্রী ও তার দুই শিশুসন্তানকে জিম্মি করে দুটি মোবাইল ফোন এবং নগদ আড়াই হাজার টাকা নিয়ে যায় সে।
পরে ওই গৃহবধূকে রান্নাঘরে নিয়ে রামদা দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। ঘটনার পর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় মামলা করা হয়।
মামলার তদন্তে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা করে পুলিশ। ফুটেজের সূত্র ধরে পারভেজ মো. আবুল কালামকে শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি ইফতেখার মাহমুদ বলেন, মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে পারভেজকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন। এরপর তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এস