রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে আসেন হেফাজতের একটি দল।

মামুনুল হক বলেন, শুধুমাত্র নিহত যাদের তথ্য সংগ্রহ করা গেছে, তদন্তে তাদের সংখ্যাটি এসেছে। কিন্তু আমরা প্রথম থেকেই বলছি যে, অনেকেরই লাশ পাওয়া যায়নি। কাজেই সেসব তথ্য এখানে আনার সুযোগ নেই। কারণ রাষ্ট্রীয়ভাবে তৎকালীন সময়ে শাপলার শহীদদের মরদেহ গুম করার অপচেষ্টা হয়েছিল। এজন্য বহুসংখ্যক শহীদের কোনো হদিস মেলেনি।

তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশে সমাজের সব শ্রেণির মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ তৎকালীন প্রায় সব বিরোধী ঘরানার রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও শহীদের তালিকায় রয়েছেন। কেননা আন্দোলনটি সার্বজনীন ছিল।

তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন নিয়ে এই হেফাজত নেতা বলেন, এখন পর্যন্ত খসড়া প্রতিবেদনটি বিস্তারিত দেখিনি। প্রাথমিকভাবে যতটুকু দেখেছি, তাতে কিছু সংশোধন রয়েছে আমাদের। আমরা আরেকটু পর্যালোচনা করে দু-একদিনের মধ্যেই সংশোধনের কথাগুলো প্রসিকিউশনকে বলবো। এরপর সন্তুষ্ট কতটুকু হয়েছি, তা বলতে পারবো।

আপনাদের এক্সপেক্টেশন কী ছিল? কোনটার সঙ্গে আপনাদের দ্বিমত হচ্ছে?—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন বলে আগেই জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন এখনও দাখিল হয়নি। এ পর্যায়ে সব বিষয় উন্মুক্ত করাও সম্ভব নয়। অতএব আমাদের যে অভিযোগ ছিল, সে অনুযায়ী এ খসড়া প্রতিবেদন অনেকটা কাছাকাছিই রয়েছে বলে আমরা মনে করি।

এস