তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে মতপার্থক্য ও সমালোচনা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলেও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু রাজনৈতিক কর্মীর ভাষা ও আচরণ দেখে সন্দেহ জাগে তারা মাদকাসক্ত কি না।’

শনিবার (২৩ মে) ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নাগরিক সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আলাল এসব কথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘অপরাজেয় বাংলাদেশ’ এ সভার আয়োজন করে।

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বলেন, ‘রাজনৈতিক সমালোচনা হতেই পারে। তবে তা শালীন ও যুক্তিনির্ভর হওয়া উচিত। বর্তমানে কিছু রাজনৈতিক দলের তরুণ নেতাকর্মীরা এমন ভাষা ব্যবহার করছেন, যা রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এমনকি রাজনীতির বাইরে থাকা ব্যক্তি ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়েকেও অশালীনভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে।’

‘রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকবে, সমালোচনাও থাকবে। কিন্তু যেভাবে কিছু মানুষ ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করছে, তা দেখে প্রশ্ন জাগে, তারা স্বাভাবিক অবস্থায় আছে কি না,’ যোগ করেন তিনি।

মাদক সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশে রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবের কারণেই মাদক নির্মূল সম্ভব হচ্ছে না। রাজনৈতিক অপশক্তির আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই মাদক ব্যবসা বিস্তার লাভ করছে।

আলোচনা সভায় অন্য বক্তারা দেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, মাদকের বিস্তার সমাজে নৈতিক অবক্ষয় বাড়াচ্ছে এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধ বৃদ্ধির পেছনেও মাদকাসক্তির প্রভাব রয়েছে।

এমএম