বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর পর স্থানীয় লোকজন ওই মাদরাসার শিক্ষক মুফতি ইব্রাহিম বিন মুজিবকে আটক করে। অভিযুক্ত শিক্ষক মুফতি ইব্রাহিম সম্পর্কে আব্দুল্লাহর খালু হন।
পরে খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ওই শিক্ষকে নিজেদের হেফাজতে থানায় নিয়ে যায়। এছাড়া আহত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি হাসপাতালে পাঠায়। সে জেলার সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মৃত রুমান মিয়ার ছেলে। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর আগে কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসায় আব্দুল্লাহকে ভর্তি করায় তার পরিবার। এরপর থেকেই প্রায় সময় সে কাউকে না বলে বাড়িতে চলে যেত। গত বৃহস্পতিবার সে আবারও বাড়িতে চলে যায়। এরপর আব্দুল্লাহর মা আফরোজা বেগম ওই মাদরাসার শিক্ষক মুফতি ইব্রাহিমকে বাড়িতে ডেকে আব্দুল্লাহকে নিয়ে যেতে বলে। পরে আজ সকালে তাকে ওই শিক্ষক মাদরাসায় নিয়ে গিয়ে বেধড়কভাবে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে এবং শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার পরিদর্শক তদন্ত রাজীব কান্তি নাথ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই শিক্ষককে উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে হেফাজতে নিয়ে আসে। শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএম