মেসিকে নিয়ে নিজের অবস্থান জানাতে গিয়ে জিদান বলেন, ‘আমি মেসিকে ১০০ বার ভোট দেব।’

এবারের ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে মেসির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জিদান বরং মুগ্ধতা প্রকাশ করেন তার বয়স ও ধারাবাহিকতা নিয়ে। ৩৯ বছর বয়সেও মেসি কীভাবে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, সেটিই তার কাছে অবিশ্বাস্য।

জিদান বলেন, ‘মানুষ সত্যিই বুঝতে পারে না, ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে থাকা কতটা অবিশ্বাস্য।’

বয়স বাড়ার সঙ্গে সাধারণত একজন ফুটবলারের গতি, শারীরিক সক্ষমতা ও ধার কমে আসে। কিন্তু মেসির ক্ষেত্রে যেন সেই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। পাসিং, গোল করা, খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ এবং সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরির দক্ষতায় এখনো তিনি নিজেকে আলাদা করে রেখেছেন।

চলতি বছরের পারফরম্যান্সের কারণেও মেসিকে ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে এগিয়ে রাখছেন জিদান। তার মতে, মেসি পুরস্কারটি জিতলে তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

জিদানের ভাষায়, ‘মেসি যদি পুরস্কারটি (ব্যালন ডি’অর) জেতে, আমি অবাক হব না।’

এখানেই থামেননি ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক এই তারকা। অন্য মনোনীত খেলোয়াড়দের সঙ্গে মেসির প্রভাবের তুলনা টেনে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—এ বছর সত্যিই কি মেসির চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন অন্য কেউ?

সর্বকালের সেরা ফুটবলার বা ‘গোট’ বিতর্কেও জিদানের অবস্থান স্পষ্ট। মেসিই সর্বকালের সেরা কি না, এ নিয়ে যারা এখনো সংশয়ে রয়েছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখনো যদি কারও গোট বিতর্ক নিয়ে সন্দেহ থাকে, সত্যি বলতে, সেই ব্যক্তি ফুটবল সমাজেরই অংশ নন।’

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় জিদানের এমন মন্তব্য মেসিকে ঘিরে চলমান গোট বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। নিজে বিশ্বকাপজয়ী ও কিংবদন্তি খেলোয়াড় হওয়ায় মেসির প্রতি তার এই সরাসরি সমর্থনও পেয়েছে বাড়তি গুরুত্ব।

বয়সের ভার ও নতুন প্রজন্মের তারকাদের উত্থান—সবকিছুকে পেছনে ফেলে মেসি এখনো ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ পুরস্কারের আলোচনায় রয়েছেন। জিদানের চোখে, সেটিই আর্জেন্টাইন তারকার অসাধারণত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

এস