ফলে ঢাকার শ্রম আদালতে এই মামলা চলতে বাঁধা নেই বলে জানিয়েছেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের পক্ষের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

আদালতে ড. ইউনুসের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ। আর কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পি।

প্রসঙ্গত, শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা গত ৬ জুন অধ্যাপক ইউনুসসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের বৈধতা নিয়ে অধ্যাপক ইউনুসের দায়ের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৩ জুলাই রুল জারি করেন হাইকোট এবং মামলাটি কেন বাতিল হবে না- সরকারের সংশ্লিষ্ঠদেরকে ব্যাখ্যা দিতে বলেন। হাইকোর্টে জারি করা রুলের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষ ও কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর পৃথক দুটি আবেদন করেছিল। এরপর গত ৩ আগস্ট প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ হাইকোর্টে জারি করা রুলটি দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

এমবি