আড়ংঘাটা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ মিশ্র বাদী হয়ে আড়ংঘাটা থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আড়ংঘাটা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, গত ৪ আগস্ট আড়ংঘাটা থানা বিএনপির অফিস ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে ৪৩ জনের নামে গতকাল বৃহস্পতিবার এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় আরও ১৫০/২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন- দিঘলিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, মহানগর যুবলীগের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, আওয়ামী লীগ নেতা মো. দাউদ হায়দার, জেলা যুবলীগের সভাপতি চৌধুরী রায়হান ফরিদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ রাসেল জামান, খানজাহান আলী থানা যুবলীগের আহ্বায়ক ও যোগীপোল ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদুর রহমান লিংকন, সাবেক ১নং ওয়ার্ড কমিশনার মো. শাহাদাৎ হোসেন মিনা, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের ভাই ও তার ব্যক্তিগত সহকারী শাহাবুউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
এফএইচ





