সোমবার (১৭ মার্চ) রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

এদিন আসামিকে আদালতে উপস্থিত করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পাঁচদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। অন্যদিকে আসামির রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী মিজানুর রহমান বাদশা। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আসামিকে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই দুপুর একটায় রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন বিসমিল্লাহ আবাসিল হোটেলের সামনের রাস্তায় আন্দোলন করছিলেন ভুক্তভোগী মো. রফিকুল ইসলাম (৩৭)। এসময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলিতে আহত হন তিনি। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বছরের ২৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন তিনি। এ ঘটনায় তার মামা মুহাম্মদ লুৎফর রহমান শেখ হাসিনাসহ ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে বাড্ডা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে শাজাহান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিভিন্ন হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ড ভোগ করেছেন তিনি।

এমএম